এই বই সম্পর্কে
শ্রী মহেন্দ্র মহারাজ — যাঁকে বলা হত শ্রী চরণাশ্রিত, “যিনি চরণে আশ্রয় নিয়েছেন” — বিহারের দ্বারভাঙা জেলার মণিকা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং কুড়ি বছর বয়সে সংসার ত্যাগ করেন। ভারতের প্রায় প্রতিটি প্রদেশ তিনি পায়ে হেঁটে ঘুরেছিলেন, আর তিব্বত, নেপাল, মানসরোবর ও কৈলাসে তীর্থযাত্রা করেছিলেন বহুবার। শ্রী হৈড়াখণ্ডী বাবার — “পুরোনো” হৈড়াখান বাবার — তিনি ছিলেন একান্ত, অনন্যচিত্ত ভক্ত, এবং সেই উপাসনাকে তিনিই পরিচিত করে তোলেন: আশ্রম ও মন্দির নির্মাণ করান, বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন, এবং সাধারণ গৃহস্থের নাগালের মধ্যে সেই সাধনা পৌঁছে দেন। ১৯৬৯ সালের জুন মাসে বৃন্দাবনে তিনি দেহত্যাগ করেন।
তাঁর স্মৃতিতে গঠিত সমিতি পনেরো বছর পরে এই গ্রন্থ প্রকাশ করে। যাঁরা তাঁকে চিনতেন এমন একুশজন মানুষ তাঁদের স্মৃতি লিখে রেখেছেন — তাঁদের মধ্যে আছেন বোম্বাইয়ের অম্বালাল ইনামদার, মথুরার গোপাল প্রসাদ পাঠক, লোহবনের রেবতী প্রসাদ, এবং রাজগড়ের বিশ্বাচার্য শ্রী বিষ্ণুদত্ত মিশ্র, যাঁর শ্রী মহেন্দ্র চরিত্র একাই দুশো পৃষ্ঠারও বেশি।
এটি এখানে সম্পূর্ণ পড়া যায়, ইংরেজিতে অথবা মূল হিন্দিতে, কিংবা দুই ভাষার যে কোনোটিতে PDF হিসেবে ডাউনলোড করা যায়।
হিন্দি সংস্করণটি ১৯৮৪-র মুদ্রণের OCR পাঠ থেকে বিন্যস্ত, এবং গ্রন্থের নিজস্ব বানান ও মুদ্রণপ্রমাদগুলি যেমন ছিল তেমনই রেখেছে। দুটি সংস্করণের আলোকচিত্রগুলিই এই গ্রন্থাগারের জন্য সরবরাহ করা মূল ছবি, মুদ্রিত বইয়ের ছবির প্রতিলিপি নয়।
